বুধবার, ২২ মে ২০২৪, ১১:২৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রূপগঞ্জে বিপুল ভোটে বিজয়ী উপজেলা চেয়ারম্যানের সাথে ফুলের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা আলমগীর হোসেন মাতোয়ারা রূপগঞ্জে বন্ধুদের সাথে গোসল করতে নেমে পানিতে ডুবে কলেজ ছাত্রের মৃত্যু মধুপুরে বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে এক যুবকের মৃত্যু মধুপুর উপজেলা প্রশাসন ও ইসলামিক ফাউণ্ডেশনের উদ্যোগে ইমামদের সাথে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ঈদগাঁও বাজারের বাঁশঘাটায় অগ্নিকাণ্ডে ৪২টি দোকান পুড়ে ছাই : আহত ২  তাৎক্ষণিক অভিনয়ে জাতীয়পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ হয়েছে মধুপুরের সাবিকুন্নাহার বানী বিলাইছড়ি উপজেলায় ৪ নং বড়থলি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়াম্যান আতোমং মার্মা গুলিবিদ্ধ পাইকগাছা উপজেলা নির্বাচনে প্রতীক বরাদ্দের পর চলছে প্রার্থীদের বিরামহীন প্রচার-প্রচারণা ঈদগাঁও উপজেলা পরিষদে আহমদ করিম ও কাউসার প্রথম ভাইস চেয়ারম্যান 

গরুর শরীরে ক্ষুরা রোগ দুশ্চিন্তায় আনোয়ারার খামারিরা

টি আই. মাহামুদ - বার্তা সম্পাদক
  • Update Time : সোমবার, ২৪ জুলাই, ২০২৩
  • ১৩২ Time View

 

শেখ আবদুল্লাহ
আনোয়ারা (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় গরুর শরীরে ছড়িয়ে পড়েছে ভাইরাসজনিত ক্ষত রোগ (লাম্পি স্কিন ও ক্ষুরা)। উপজেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের তথ্যমতে উপজেলায় গত দুই মাসে লাম্পি স্কিনে আক্রান্ত ২০০টি ও গত এক সপ্তাহে ক্ষুরা রোগে আক্রান্ত অর্ধশত গরুকে হাসপাতালে নিয়ে এসে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। বিষযটি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালের এসএলও রতন কান্তি মহাজন। এতে আর্থিক লোকসানের আশঙ্কা করছেন খামারিরা। জানা গেছে, ক্ষুরা রোগ পুরাতন হলেও ল্যাম্পি স্কিন ডিজিজ নামের ভাইরাস রোগটি দেশে বিগত দুই তিন বছর থেকে দেখা যাচ্ছে। এ রোগের এখনো কোনো নির্দিষ্ট চিকিৎসা না থাকায় আক্রান্ত গরু নিয়ে চরম বিপাকে পড়তে হচ্ছে প্রান্তিক খামারিদের। এদিকে প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তারা বলছেন, এটি কম বেশি সারা বছর ছিল। কিন্তু গত এক মাসে এই রোগ বেশি দেখা যাচ্ছে। উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের ক্ষুদ্র খামারিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গরুর গায়ে প্রথমে গুটি গুটি দেখা যায় নতুবা কোনো এক জায়গায় ফুলে যায়।

তার পর শরীর থেকে পানি বের হয়ে ক্ষত সৃষ্টি হয়। এরপর দু’এক দিনের মধ্যেই গরুর শরীরজুড়েই গুটির পরিমাণ আরও বৃদ্ধি পেয়ে ক্ষত থেকে রক্ত বের হয়।

এ সময় গরুর শরীরে অতিরিক্ত তাপমাত্রা দেখা দেয় এবং গরু আহার ছেড়ে দেয়। অনেক সময় গরুর বুকের নিচে পানি জমে ক্ষত সৃষ্টি হয়। এ ছাড়া ক্ষতস্থান থেকে মাংস খসে খসে পড়ে। সঠিক সময়ে উপযুক্ত চিকিৎসা কিংবা রোগের লক্ষণ জানা না থাকায় গরুর মৃত্যু হয়। কিছু গরু ভালো হলেও পরবর্তীতে ওই গরুর মধ্যে ক্ষুরা রোগ? দেখা দেয়। এ ব্যাপারে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সমরঞ্জন বড়ুয়া বলেন, এ সময়ে সারা দেশে কম বেশি এ রোগে আক্রান্ত হচ্ছে গবাদি পশু। আমরা পর্যাপ্ত পরিমাণ চিকিৎসা দিচ্ছি এ নিয়ে খামারিদের হতাশ হওয়ার কোনো কারণ নেই। কারণ এটি একটি ভাইরাস জাতীয় রোগ। রোগটি খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়লেও সময়মতো চিকিৎসা নিলে এর প্রভাব তেমন একটা ক্ষতিকর না।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Design & Develop BY Coder Boss
themesba-lates1749691102