বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪, ০৮:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :

আলীকদমে তুচ্ছ ঘটনায় প্রতিবেশী এবং মাদ্রাসা ছাত্রী-সহ একই পরিবারের চার জনকে পিটিয়ে আহত, ১১ দিন পর আদালতে মামলা

টি আই, মাহামুদ - বার্তা সম্পাদক
  • Update Time : মঙ্গলবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ৮৩ Time View

ডেস্ক নিউজ

তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক প্রবাসী পরিবারের মাদ্রাসা পড়ুয়া মেয়ে-সহ চারজন ও কয়েকজন প্রতিবেশীকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেছে প্রতিবেশী অন্য একটি পরিবার।
এই অভিযোগে ঘটনার ১১দিন পরে বান্দরবান জেলা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে (আমলী-২) উক্ত পরিবারের বড় ছেলে মাহাবুবুল আলম বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছে।

মামলা সূত্র এবং ঘটনার সময় উপস্থিত স্বাক্ষীদের দেয়া তথ্যমতে জানা যায়, বান্দরবানের আলীকদম উপজেলার সদর ইউনিয়নের ছাবের মিয়া পাড়ার প্রবাসী নুরুল আলমের বড় মেয়ে আসমত আরা নদীতে পানি আনতে গিয়ে প্রতিবেশী বান্ধবী রুনা আক্তারের সাথে টিকটকে দেখা কৌতুক নিয়ে আলোচনা করার সময় অভিযুক্ত প্রতিবেশী রহিম উদ্দিনের হুকুম মতে স্ত্রী জয়নব আক্তার এবং মেয়ে তাসলিমা আক্তার ও তানিয়া আক্তার কে সাথে নিয়ে তাদের পরিবারের নামে কুৎসা রটনোর অভিযোগ এনে প্রবাসী নুরুল আলমের মেয়ে আসমত আরাকে বেড়দক পেটাতে থাকে।

এসময় সাথে থাকা বান্ধবী রুনা আক্তার প্রতিবাদ করলে তাকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেয় এবং তাকেও মারার হুমকি দেয়।
ঘটনার এক পর্যায়ে আসমত আরা তাদের কাছ থেকে নিজেকে ছাড়িয়ে নিয়ে বাড়িতে চলে আসে এবং তার মাকে ঘটনার বিবরণ জানায়।
কিছুক্ষন পর অভিযুক্ত রহিম উদ্দিনের স্ত্রী জয়নব আক্তার তার দুই মেয়ে, বড় ছেলে মোঃ নুর, ছোট ছেলে আফাজ উদ্দিন ও বহিরাগত থানাপাড়ার রবিউল আলম এবং মোঃ ইয়াসিন-সহ নুরুল আলমের বাড়িতে ঢুকে নুরুল আলমের স্ত্রী কুলসুমা বেগম, ছেলে মোঃ মাহাবুবুল আলম, বড় মেয়ে আসমত আরা, মাদ্রাসা পড়ুয়া মেজো মেয়ে নাজমা বেগম কে লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা করে এলোপাতাড়ি পেটাতে থাকে। এতে নুরুল আলমের স্ত্রীর নাক ফেটে রক্তক্ষরণ শুরু হয় এবং ছেলে মাহাবুবুল আলমের হাতের কব্জি ভেঙ্গে যায়।
এসময় তাদের আত্নচিৎকারে উদ্ধার করতে প্রতিবেশী মহিলারা ছুটে আসলে তাদেরও অনেককে পিটিয়ে আহত করে।

ঘটনা পরবর্তী নুরুল আলমের পরিবারের সদস্যরা থানায় অভিযোগ করতে গেলে আলীকদম থানার তৎসময়ে সেন্ট্রি ডিউটিতে থাকা মহিলা পুলিশ সদস্যা আগে আহতদের চিকিৎসার পরামর্শ দিয়ে তাদের পাঠিয়ে দেন।
আহতদের আলীকদম সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে গুরুতর আহতাবস্থা দেখে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের কক্সবাজার হাসপাতালে রেপার করে দিলে তারা এম্বুলেন্স যোগে কক্সবাজার চলে যান এবং ছয়দিন চিকিৎসা শেষে বাড়িতে ফিরে আসেন।

অভিযুক্ত রহিম উদ্দিন ও ছেলে মোঃ নুর নিজেদেরকে এলাকার বাঘ ঘোষণা দিয়ে পিটিয়ে আহত করা প্রত্যক্ষদর্শীদের আবারো মারবে বলে প্রকাশ্য হুমকি দিচ্ছে বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শীরা।
বর্তমানে তাদের হুমকিতে প্রাণভয়ে তটস্থ রয়েছে সবাই।
মামলা পরবর্তী বিজ্ঞ আদালত উক্ত মামলার বিষয়ে আলীকদম থানাকে তদন্ত পূর্বক রিপোর্ট প্রদানের জন্য আদেশ জারী করেছেন।
এব্যাপারে অভিযুক্তদের কাছে জানতে তাদের ফোনে কল দিলে কেউ কল রিসিভ করেনি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Design & Develop BY Coder Boss
themesba-lates1749691102