বুধবার, ২২ মে ২০২৪, ১১:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রূপগঞ্জে বিপুল ভোটে বিজয়ী উপজেলা চেয়ারম্যানের সাথে ফুলের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা আলমগীর হোসেন মাতোয়ারা রূপগঞ্জে বন্ধুদের সাথে গোসল করতে নেমে পানিতে ডুবে কলেজ ছাত্রের মৃত্যু মধুপুরে বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে এক যুবকের মৃত্যু মধুপুর উপজেলা প্রশাসন ও ইসলামিক ফাউণ্ডেশনের উদ্যোগে ইমামদের সাথে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ঈদগাঁও বাজারের বাঁশঘাটায় অগ্নিকাণ্ডে ৪২টি দোকান পুড়ে ছাই : আহত ২  তাৎক্ষণিক অভিনয়ে জাতীয়পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ হয়েছে মধুপুরের সাবিকুন্নাহার বানী বিলাইছড়ি উপজেলায় ৪ নং বড়থলি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়াম্যান আতোমং মার্মা গুলিবিদ্ধ পাইকগাছা উপজেলা নির্বাচনে প্রতীক বরাদ্দের পর চলছে প্রার্থীদের বিরামহীন প্রচার-প্রচারণা ঈদগাঁও উপজেলা পরিষদে আহমদ করিম ও কাউসার প্রথম ভাইস চেয়ারম্যান 

পটিয়ায় ভরা জোয়ারে নির্ভার নৌকার মাঝি তবে ঈগলও আকাশে উড়ছে

নির্বাহী সম্পাদক
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ৩০ Time View

প্রদীপ্ত রণন

আসন্ন সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া উপজেলা) আসনে ০৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করলেও মূল প্রতিদ্বন্দ্বীতা হচ্ছে আওয়ামী লীগ প্রার্থী চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী( নৌকা প্রতীক ) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য বর্তমান সংসদ সদস্য হুইপ সামশুল হক চৌধুরী(ঈগল প্রতীক)এর মধ্যে ।
মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী’র সমর্থকদের দাবী,তাদের প্রার্থী ‘ফুরফুরে মেজাজে’ আছেন ।কারণ হিসাবে তারা বলেন , প্রথমত: পটিয়ার স্থানীয় রাজনীতিতে সংসদ সদস্য সামশুল হক চৌধুরী , আওয়ামী যুব লীগের কেন্দ্রিয় যুগ্ম সম্পাদক বদিউল আলম, বিজিএমএর নাছির উদ্দিন ,উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশীদ এর মধ্যে বিভক্তি থাকলেও বর্তমানে বদিউল আলম, নাছির উদ্দিন , হারুনুর রশীদ অনুসারীরাও মোতাহেরুলের পক্ষে নেমেছেন ভোটের মাঠে।সাধারণ নেতা-কর্মীরাতো আছেনেই ।মোতাহের পটিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান ছিলেন, ফলে আগে থেকেই এলাকায় প্রভাব প্রতিপত্তি আছে মোতাহেরের।
আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য প্রার্থী মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী নিউজ বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন,আমি উপজেলা চেয়ারম্যান ছিলাম। জনগণের জন্য আরও বেশি কাজ করতে চাই বলে নেত্রী আমাকে মনোনয়ন দিয়েছেন। ”
জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী হলেও সব প্রার্থীকে সমান গুরুত্ব দিচ্ছেন জানিয়ে মোতাহের বলেন, “আমি মনে করি বিপুল পরিমাণ ভোট কালেকশন করতে হবে। দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি পরিবারের সদস্য সবাই জনসংযোগ করছে আমার জন্য।
“ভোটররা যাতে সবাই কেন্দ্রে গিয়ে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দেন, সেজন্য আমরা বিভিন্ন এলাকায় জনসংযোগের পাশাপাশি উঠান বৈঠকসহ বিভিন্নভাবে আমরা প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছি।”
মূল প্রতিদ্বন্দ্বী সামশুল হক চৌধুরী এর ব্যাপারে মোতাহের বলেন , “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দলীয় মনোনয়ন ঘোষণার আগে যারা দলের প্রার্থী হতে চেয়েছিলেন, তাদের সবাই হাত তুলে শপথ করেছেন- প্রধানমন্ত্রী যাকে মনোনয়ন দেবে, নেতাদের সবাই মেনে নেবেন। সেখানে তিনিও শপথ করেন। সেই শপথ ভঙ্গ করে নিজে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন।” মোতাহেরুল বলেন, “এর আগে সবাই দলীয় যে মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছিলেন, সেখানে একটি অঙ্গীকার ছিল- একান্ত নিবিড়ভাবে দলীয় প্রার্থীর জন্য কাজ করবেন। সেটাও না মেনে তিনি (সামশুল) নিজেই এখন নির্বাচন করছেন।”
তবে সামশুল হকের দাবি, দলের ‘অনুমতি’ নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে তিনি নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন।তিনি বলেন, অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের জন্য স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আওয়ামী লীগ দলীয় নেতাকর্মীদের অনুমতি দিয়েছে। দলের নির্বাচনি কৌশল হিসেবে অনেক সংসদ সদস্যদের স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করতে উৎসাহিত করা হচ্ছে।
দলের সভানেত্রী অন্যদের মত তাকেও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করে নিজের জনপ্রিয়তা যাচাই করার অনুমতি দিয়েছেন বলে হুইপ সামশুলের ভাষ্য।তিনি বলেন, “কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি বাড়াতে এবং উৎসবমুখর নির্বাচনের জন্য এ কৌশল যুগান্তকারী পদক্ষেপ।”
স্থানীয়দের ভাষ্য, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের বেশির ভাগই সামশুল হকের পক্ষে থাকলেও মনোনয়ন না পাওয়ার পর জনপ্রতিনিধিরা মোতাহেরের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। অনেক প্রকাশ্যে না থাকলেও গোপনে সমর্থন দিচ্ছেন সামশুল হককে।
দুই প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে এলাকায় উত্তেজনা রয়েছে, হামলা-সংঘর্ষের মত ঘটনাও ঘটছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Design & Develop BY Coder Boss
themesba-lates1749691102